হাম ও এর উপসর্গে মৃত্যু ৬০০ ছাড়াল
হ ম ও এর উপসর গ ম – বাংলাদেশে হাম ও এর উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা এক হাজার ২০০ জনে পৌঁছেছে। এটি গত ২৪ ঘন্টায় চার শিশু মৃত্যুবরণের পরিণতি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দ্বারা প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, এ বছরে মোট হাম রোগের মৃত্যু হয়েছে ৫১১ জন এবং নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ১,২১০ জন। এই সংখ্যা নিশ্চিত হাম রোগীদের পরিবর্তে সন্দেহজনক হাম রোগীদের সংখ্যা অনুসারে স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা পরিসংখ্যান সংগ্রহ করছেন।
সর্বাধিক আক্রান্ত সংখ্যা বৃদ্ধির প্রতিক্রিয়া
প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে ৩ জুন পর্যন্ত দেশে হাম ও এর উপসর্গে মৃত্যু সংখ্যা ৫১১ জনে পৌঁছেছে। এ সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, মোট সন্দেহজনক হাম রোগীদের সংখ্যা ৭৪ হাজার ৫৭২ জন হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে বর্তমান সময়ে আরও হাজার সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধির পথ ত্যাগ করছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এই সময়কালে সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬০ হাজার ১৫৮ জন। আর সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৯৪২ জন। এখন পর্যন্ত মোট নিশ্চিত মৃত্যু হয়েছে ৯০ জন।
হাম ও এর উপসর্গে মৃত্যু সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধির কারণে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ এবং স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা চিন্তা প্রকাশ করছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দ্বারা পরিচালিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমান সময়ে হাম রোগ দ্বারা আক্রান্ত মোট ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা স্থানীয় পরিস্থিতি এবং পুনরায় সংক্রামক পরিমাণ অনুযায়ী বৃদ্ধি পাচ্ছে। যদিও সামগ্রিক মৃত্যু হার এখনও কিছুটা নিয়ন্ত্রিত রয়েছে, কিন্তু এটি সতর্কতা প্রয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে হাম ও এর উপসর্গে মৃত্যু সংখ্যা প্রতিদিন বৃদ্ধির পরিবেশে সার্বিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষ ভাবে চিকিৎসাগার এবং পরিচ্ছন্নতা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতি দ্বারা হাম রোগের পরিচালনা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। এছাড়া সার্বিক শিক্ষার ক্ষেত্রে জনগণকে হাম রোগ সম্পর্কে সচেতন করার প্রয়াস চলছে।
নতুন আক্রান্ত বৃদ্ধির কারণ
বিশ্লেষকদের মতে, হাম ও এর উপসর্গে মৃত্যু সংখ্যা বৃদ্ধির প্রধান কারণ হল বিশেষ কোন পরিবেশীয় সমস্যা এবং জনগণের সামগ্রিক সচেতনতা বৃদ্ধি না হওয়া। সুতরাং স্বাস্থ্য দপ্তর এবং বিশেষজ্ঞদের কাছে পরিচালনার সংক্ষিপ্ত ব্যবস্থা প্রয়োজন। বিভিন্ন এলাকায় হাম রোগ কর্মীদের ক্ষেত্রে আক্রান্ত সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে যা সামগ্রিক চিকিৎসার চাপ বৃদ্ধির কারণ হয়
