News

নদীর বুকে সবুজ রহস্য ‘ধাঁধার চর’

নদীর বুকে সবুজ রহস্য ‘ধাঁধার চর’

নদ র ব ক সব জ রহস – গাজীপুরের পূর্ব অঞ্চলে অবস্থিত ধাঁধার চর এক অপরিচিত ভূখণ্ডের মধ্যে মানুষের মধ্যে আলোচনার কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। প্রায় চার কিলোমিটার বিস্তৃত এই জায়গাটি ব্রহ্মপুত্র ও শীতলক্ষ্যা নদীর সম্মিলনের কারণে জলরাশির মাঝে অবস্থিত। বৃষ্টিপাত সময়ে এটি পূর্ণ জলপ্রান্তে পরিণত হয়, কিন্তু শুষ্ক মৌসুমে সবুজ কৃষিজমি হিসেবে পুনর্গঠিত হয়।

স্থানীয় জনগণ এই অঞ্চলকে বিশেষ ভাবে মূল্যবান বলে মনে করেন। কাপাসিয়া উপজেলার রাণীগঞ্জ এলাকার কাছে অবস্থিত এটি গাজীপুর ও নরসিংদীর মধ্যে একটি নির্মল জায়গা। অতীতে বিভিন্ন বন্যার ধাক্কা সামাল করেছে এই সবুজ ভূখণ্ড। কিন্তু পানির পলি জমে এর উর্বরতা বৃদ্ধি পেয়েছে পরবর্তী সময়ে।

প্রাকৃতিক ও ঐতিহাসিক মানচিত্র

ধাঁধার চরে স্থানীয় গবেষকদের মতে জমির মালিকানা নিয়ে আগে ভাওয়াল ও বলদা রাজাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। ব্রিটিশ আমলে জরিপ নথির মাধ্যমে কৃষকদের খাজনা দিয়ে জমি ব্যবহারের অধিকার দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে জমির মালিকানা স্থানীয়দের হাতে পৌঁছেছে।

“ধাঁধার চর নিয়ে নানা ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার হলেও বাস্তব ইতিহাস ভিন্ন। বর্তমানে শত শত কৃষক এখানে চাষাবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।” – গোলাম মো. হানিফ আজম, মানি বাড়ি এলাকার বাসিন্দা

এখানে বিভিন্ন ধরনের ফলজ গাছ ও ওষুধি উদ্ভিদ উৎপন্ন হয়। আলু, সরিষা, ভুট্টা, পেঁয়াজ সহ বিভিন্ন মৌসুমি ফসলের আবাদ চলছে। নদীর পলিমাটির কারণে মাটির উর্বরতা বেশি হওয়ায় কম সার ব্যবহার করেও ভালো ফলন পাওয়া যায়।

প্রাকৃতিক সমৃদ্ধতা ও ধর্মীয় ঐতিহ্য

অতীতে পানির ধাক্কা সামাল করেছে এই অঞ্চল। কিন্তু পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের দিক থেকে এটি গুরুত্বপূর্ণ। মাছরাঙা, বক, পানকৌড়ি সহ অসংখ্য পাখির বিচরণ দেখা যায়। কখনো কখনো বিপন্ন জলজ প্রাণী এখানে আবির্ভূত হয়।

“ধাঁধার চর শুধু একটি স্থান নয়; এটি আমাদের ইতিহাস, কৃষি ও নদীনির্ভর জীবনের অংশ। উন্নয়ন হোক, তবে তা যেন প্রকৃতি ও মানুষের স্বার্থ রক্ষা করেই হয়।” – বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসলাম মিয়া

বিশেষজ্ঞ নাজিব মাহফুজ খান বলেন, “ধাঁধার চর শুধু একটি চর নয়; এটি নদীর গতিপথ, জনবসতির পরিবর্তন এবং স্থানীয় ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য বহন করে। পুরোনো মানচিত্র ও �

Leave a Comment