লবণ সংকট ও দাম কম পাওয়ায় ব্যবসায়ীদের চামড়া নিক্ষেপ করতে হয়েছে
লবণ স কট ও দ ম কম – মৌলভীবাজারের মনু নদীতে চামড়া ফেলে দিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। এ সংকটের কারণে বালিকান্দি গ্রামের চামড়া ব্যবসায়ীরা সড়ক ও নদীতে শত শত চামড়া ফেলে দিচ্ছেন। প্রতিবছর ঈদ উপলক্ষে লবণের দাম বেড়ে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা সাধারণত চামড়া ক্রয় করতেন। কিন্তু বর্তমানে সে কাজটি করতে পারছেন না।
প্রতিক্রিয়া ও চামড়া নষ্ট হওয়ার কারণ
বালিকান্দি চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির সদস্য জাহাঙ্গীর আলম জানান, পশু কোরবানি হওয়ার পরপরই চামড়া ব্যবসায়ীরা বাড়ি বাড়ি হাজির হতেন। কিন্তু বিগত কয়েক বছরে তাদের প্রতিক্রিয়া নেই। কেউ কেউ ক্ষোভে বাড়িতে পশুর চামড়া গর্ত করে পুঁতে ফেলেছেন।
“লবণ সংকটের কারণে আমরা চামড়া নষ্ট ঠেকাতে পারিনি। এ কারণে আমি ৪০০-৫০০ চামড়া নদীতে ফেলে দিচ্ছি,” বলেন মনু নদীর তীরে চামড়া ব্যবসায়ী হাফিজ এনামুল হক শাহনুর।
“প্রতিবছর কোরবানির ঈদ আসলে লবণের দাম বেড়ে যায়। চামড়া প্রক্রিয়া করতে না পারায় আমি মালিকের ৪০০ চামড়া নদীতে ফেলে দিচ্ছি,” জানান চামড়া শ্রমিক আল-আমিন।
মনু নদীর তীরে কথা হলে চামড়া ব্যবসায়ী হাফিজ এনামুল হক শাহনুর বলেন, “লবণের কারণে আমরা প্রাথমিকভাবে চামড়া প্রক্রিয়াজাত করতে পারিনি। কয়েকশ চামড়া নষ্ট হয়েছে। পরিবেশ নষ্ট হওয়ার ভয়ে এগুলো নদীতে ফেলে দিতে হয়েছে।”
মৌলভীবাজার-কুলাউড়া আঞ্চলিক সড়কের ১০টি স্পটে চামড়ার স্তুপ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। কে বা কারা এগুলো ফেলে রেখেছে তা জানা যায়নি। চামড়ার দুর্গন্ধে সড়কে চলাচলে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন এলাকাবাসী। ফরহাদ হোসেন নামে এক ব্যক্তি বলেন, “সড়কে চামড়া পড়ে থাকায় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। কারা এভাবে চামড়া ফেলে গেছে তা কেউ জানে না। এখন এই চামড়া সরানো ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তা না হলে, শিয়াল কুকুর টেনে টেনে পরিবেশ আরো দূষিত করবে।”
বালিকান্দি গ্রামের চামরা ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাফিজ মো. আনোয়ার বলেন, “আমরা ক্ষতিগ্রস্ত। এ ব্যবসা করে আমরা পথের ভিখারি হয়ে গেছি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাদের নিয়ে মিটিং করা হয�
