মঈন খানের মতামত: জিয়াউর রহমানের রূপকল্প চলচ্চিত্রে বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন
জ য উর রহম ন র র – বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান কর্তৃক আগ্রাহ করা হয়েছিল যে, মৃত্যুতে আরোপিত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ধারণা এবং পরিকল্পনা চলচ্চিত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করা দরকার। তিনি জানান যে, জিয়াউর রহমানের রূপকল্প বাস্তবায়ন করা হলে সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয় মানচিত্রে বিশেষ প্রভাব ফেলবে। চলচ্চিত্র মাধ্যমে তাঁর চিন্তা চালু করা যেতে পারে যেন দেশের যুব প্রজনন এবং পুনরুজ্জীবনের ক্ষেত্রে নতুন চাহিদা জাগে। তিনি আরও বলেন যে, রাষ্ট্রীয় রূপকল্প প্রকাশ করতে গেলে চলচ্চিত্র সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম হতে পারে কারণ এটি দেখার মাধ্যমে কোনো অপ্রত্যক্ষ কথা বোঝানো যায়।
রাষ্ট্রীয় রূপকল্পের মানচিত্র: সমাজ ও রাজনীতির মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করবে চলচ্চিত্র
ড. মঈন খান দাবি করেন যে, জিয়াউর রহমানের রূপকল্প দেশের নাগরিক মানচিত্রে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করবে। তিনি বলেন, চলচ্চিত্র দিয়ে জনগণ তাঁর প্রতিক্রিয়া ও প্রেরণা উপলব্ধি করবে। বিশেষ করে, জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রীয় নীতিগুলো এখনও অনেকের মনে ছাপ মেরে রয়েছে। চলচ্চিত্র করার মাধ্যমে সেই ছাপ বিস্তার করা যেতে পারে। আরও বলা হয়েছে যে, প্রতিটি চলচ্চিত্র একটি রাষ্ট্রীয় রূপকল্প করতে পারে যেন জনগণ সেই ধারণা বুঝতে পারে। চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন স্তরে রাষ্ট্রীয় রূপকল্পের মানচিত্র অনুপ্রাণিত করা হতে পারে। তিনি বলেন, এটি আসলে রাষ্ট্রীয় গুরুত্ব ও সামাজিক মানচিত্র বিস্তারের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয়।
“জিয়াউর রহমানের রূপকল্প এখনও বাস্তবায়ন করা হয়নি। তাই চলচ্চিত্র মাধ্যমে প্রকাশ করার কাজ সম্পন্ন করা প্রয়োজন,” ড. মঈন খান জানান।
তিনি আরও বলেন যে, চলচ্চিত্র করতে যাওয়া প্রকল্পটি সরাসরি দেশের সংস্কৃতি ও রাষ্ট্রীয় চিন্তা বিস্তারের উপযোগী। এর মাধ্যমে নতুন প্রজনন এবং পুনরুজ্জীবনের ক্ষেত্রে জিয়াউর রহমানের কর্মপন্থা সম্পর্কে জনগণের জ্ঞান বৃদ্ধি পাবে। তিনি দাবি করেন যে, এই প্রকল্পে বিশেষ করে স্বাধীনতা ও রাষ্ট্রীয় সংস্কৃতি প্রকাশ করা হতে পারে। একজন কর্মী বলেন, চলচ্চিত্রের মাধ্যমে জিয়াউর রহমানের রূপকল্প বিশেষ করে ছাত্রদের মানচিত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।
ড. মঈন খান আরও বলেন যে, এই প্রকল্পে একটি অবিচ্ছিন্ন সামাজিক মানচিত্র তৈরি করা হতে পারে যেন জিয়াউর রহমানের আদর্শগুলো সম্পর্কে নতুন কর্মী স্বচ্ছতা ও সংস্কৃতি বুঝতে পারে। তিনি মনে করেন যে, রাষ্ট্রীয় রূপকল্প দেখার মাধ্যমে আরও বেশি দেশবাসী সামাজিক গুরুত্বপূর্ণ কাজে অংশগ্রহণ করতে পারে। এই প্রকল্প করে এখনও নতুন প্রজনন এবং পুনরুজ্জীবনের ক্ষেত্রে অগ্রগতি হতে পারে। চলচ্চিত্রের মাধ্যমে জিয়াউর রহমানের রূপকল্প বাস্তবায়নের কাজ হতে পারে যেন সেই ধারণা সকলের মধ্যে প্রচার করা যায়।
