News

‘কখনো রিগ্রেট করি না’- ওয়ানডেতে অবসর প্রসঙ্গে অকপট মুশফিকুর

‘কখনো রিগ্রেট করি না’- ওয়ানডেতে অবসর প্রসঙ্গে অকপট মুশফিকুর

কখন র গ র ট কর ন – ২০২৫ সালের মার্চে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুশফিকুর রহিম ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা করেন। এই সিদ্ধান্ত তার অনেক সময় আগে নিয়ে ছিল যখন টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সামান্য বাধা হয়েছিল। কিন্তু ওয়ানডে দলে তার স্থান সম্পর্কে প্রশ্ন তো উঠছিল। ধারাবাহিকভাবে তিনি ব্যর্থ হন এবং বাবার সঙ্গে নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে কথা বলা হয়নি বলে জানান মুশফিকুর।

রমজানে রোজা রেখে তিনি নিজের জীবনে প্রশ্ন তুলে নিয়েছিলেন। স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার পর তার মনে হয়েছিল এটাই সঠিক সিদ্ধান্ত। কিন্তু আব্বার সঙ্গে কথা বলার পর তিনি মনে করেন না যে ওয়ানডে খেলার সময় আরও বাড়তে পারেন। যেতে থাকতেন এমন সিদ্ধান্তে সব চেয়ে বেশি সত্যিকার রিগ্রেট করার সম্ভাবনা ছিল না বলে উল্লেখ করেন মুশফিকুর।

“হতাশা তো ছিলই (ওয়ানডে থেকে অবসর নেওয়া)। ওভারঅল পরিস্থিতিটাও কঠিন হয়ে গিয়েছিল। আমি রোজা রেখেছিলাম। নিজের সঙ্গে নিজে কথা বলেছি। সময় দিয়েছিলাম নিজেকে। স্ত্রীর সঙ্গে কথাও বলেছি। বাবার সঙ্গে এই কারণে কথা বলা হয়নি, উনাকে বললে উনি কখনো মেনে নেবেন না। যতই লজিক আমি দেই না কেন… আব্বা চাইবেই আমি যেন আরও যেন লম্বা সময় খেলি। আসলে সব বাবারাই চাইবে, তার সন্তানদের বড় একটি পর্যায়ে দেখতে, দেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে। সেটা খেলা হোক বা অন্য কোনো জায়গায়।”

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে তিনি অনেক কথা হয়েছিল। সেটা বাবার কাছে খারাপ লাগে। কারণ তার সিদ্ধান্ত তাদের পরিবারে প্রভাব ফেলতে পারে। এখনও যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সব কিছু প্রকাশ করা যায় তার কথা মনে করিয়ে দেন মুশফিকুর।

বিশেষ করে ওয়ানডে দলের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ এক সময় মুশফিকুরকে দলে ফিরতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। কিন্তু পাকিস্তান সিরিজে সংবাদ সম্মেলনে ওয়ানডেতে ফেরার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ওয়ানডে ক্রিকেট নিয়ে যেটা বলা হয়েছে, আমার কাছে অবশ্যই একটি বার্তা এসেছিল। কিন্তু আমি মনে করি, বাংলাদেশ দল এখন এমন একটি পর্যায়ে আছে এবং ভবিষ্যতে আরও ভালো জায়গায় যাবে। যেখানে এ ধরনের সার্ভিসের প্রয়োজন হবে না, ইনশাআল্লাহ।”

বৈশ্বিক আসরে কোনো শিরোপা জেতার সম্ভাবনা ছিল না

২০০৬ সালে ওয়ানডে ক্রিকেটে মুশফিকুর তার খেলোয়াড়ি শুরু করেন। খালেদ মাসুদ দখল করে নিজের পায়ের নিচে মাটি শক্ত করেন। ওয়ানডে দলে তরতরিয়ে স্থান পান। মিস্টার ডিপেন্ডবল উপাধি তার জন্য অনুপস্থিত ছিল না।

সব মিলিয়ে তিনি বাংলাদেশ জার্সিতে ২৭৪ ওয়ানডে খেলেছেন। রান করেছেন ৭ হাজার ৭৯৫। উইকেট রক্ষক বাটসম্যান হিসেবে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। উইকেট রক্ষক হিসেবে সব

Leave a Comment