News

গরুর তাড়া খেয়ে আর্মিদের ক্যান্টিনে ঢুকে পড়েছিলাম: শামীম হাসান

গরুর তাড়া খেয়ে আর্মিদের ক্যান্টিনে ঢুকে পড়েছিলাম: শামীম হাসান

গর র ত ড় খ য় আর – পরিচিত অভিনেতা শামীম হাসান তাঁর ছোটবেলার সম্পৃক্ত পরিবারের মনোরম স্মৃতিগুলো স্মরণ করে বলেন, “গরুর তাড়া খেয়ে আর্মিদের ক্যান্টিনে ঢুকে পড়া” ছিল একটি সাধারণত নোটিশ পরিবারের স্মৃতির প্রতিশ্রুতি হিসেবে জীবন্ত আছে। ছোটবেলার পরিবেশে ঈদ ছিল একটি সম্পূর্ণ মানুষের মন ছাড়া হত না প্রতিটি মুহূর্ত, যেখানে গরুর তাড়া খেয়ে আর্মিদের ক্যান্টিনে ঢুকে পড়া একটি বিশেষ সংঘটন হিসেবে নিয়মিত ঘটত। আজকাল যান্ত্রিক জীবনে এ আনন্দ কিছুটা হারিয়ে গেছে।

ঈদের প্রতিশ্রুতি: গরুর তাড়া খেয়ে আর্মিদের ক্যান্টিনে ঢুকে পড়ার স্পৃহা

শামীম হাসান জানান যে, তিনি ছোটবেলায় পরিবারের সদস্যদের গরুর তাড়া খেয়ে আর্মিদের ক্যান্টিনে ঢুকে পড়ার প্রতিশ্রুতি পেয়েছিলেন। এই ক্রিয়া ছিল সাধারণত ঈদের একটি অপরিহার্য অংশ হিসেবে পরিচিত। ছেলে দাদাবাড়ির আড্ডায় অংশ নিতে চায়, কিন্তু গরুর তাড়া খেয়ে আর্মিদের ক্যান্টিনে ঢুকে পড়ার স্পৃহা তাঁর জন্য অপরিহার্য ছিল। বর্তমানে তিনি এই ঘটনাটি স্মরণ করে কিছুটা বিষম ছিল না কেন কোরবানির ঈদে গরুর তাড়া খেয়ে আর্মিদের ক্যান্টিনে ঢুকে পড়া একটি প্রতিশ্রুতি হিসেবে আবেদন পেয়েছিল।

পরিবারের স্পৃহা এবং প্রক্রিয়া

শামীম হাসান বলেন, ঈদ পরবর্তী গরুর তাড়া খেয়ে আর্মিদের ক্যান্টিনে ঢুকে পড়া একটি নূতন পরিবেশে গড়ে উঠেছিল। ছোট ছেলেদের অনুপ্রাণিত করতে দাদাবাড়ি আর তাঁর পরিবার এই প্রথাকে স্থাপন করত। তিনি জানান, গরুর তাড়া খেয়ে আর্মিদের ক্যান্টিনে ঢুকে পড়া সম্পর্কে কোরবানির ঈদে খুব সাধারণ একটি জায়গা হিসেবে দাদাবাড়ি করতেন। এই ক্রিয়া ছিল সাধারণত বিশেষ কোনও অনুষ্ঠানের সাথে সংযুক্ত ছিল না, কিন্তু ব্যক্তিগত আনন্দের কারণে সর্বাধিক মুখ্য ছিল।

গরুর তাড়া খেয়ে আর্মিদের ক্যান্টিনে ঢুকে পড়ার সময় বাড়িতে সবাই মিলে ছোট ছেলেদের গরুর তাড়া খেয়ে আর্মিদের ক্যান্টিনে ঢুকে পড়া করতেন। তিনি দাদাবাড়ি বলেন, “সেই সময় কেউ বাড়ির অনুষ্ঠান আয়োজন করত না, কিন্তু গরুর তাড়া খেয়ে আর্মিদের ক্যান্টিনে ঢুকে পড়া একটি আনন্দের সূত্র ছিল। বর্তমানে ঈদ সম্পর্কে আবেগ কমে গেছে বলে তিনি মনে করেন।” এই প্রথার সম্পূর্ণ বিষয়টি তিনি স্মরণ করে নিজের মনের একটি স্পৃহা জাগ

Leave a Comment