খুতবা শেষে আরাফার ময়দানে নামাজ আদায়
খ তব শ ষ আর ফ র – আন্তর্জাতিক ডেস্ক বাংলাদেশ থেকে আসা হাজিরা মক্কায় সমবেত হয়েছেন যারা বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে নিয়মিত ভাবে হজ করেন। খুতবা পাঠ করেন শায়খ আলী বিন আবদুর রহমান আল-হুদাইফি। সৌদি আরবের আরাফাত ময়দানে সমবেত হওয়া লাখ লাখ হাজি সমাবেশে পৌঁছেছেন বলে জানানো হয়েছে। যেহেতু হজ ইসলামের পঞ্চম স্তম্ভ এবং বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ ধর্মীয় সমাবেশ, এ বছর সৌদি আরবের বাইরে থেকে প্রায় ১৫ লাখ হাজি এসেছেন।
আরাফাতের ময়দানে সমবেত হয়ে প্রার্থনা করা ও খুতবা শোনা হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্ব। সূর্যাস্ত পর্যন্ত তারা এখানে তওবা ও দুয়োয়া করবেন। নামাজ, কোরআন পাঠ, দোয়া এবং ইবাদতের মাধ্যমে দিনটি কাটানো হবে।
লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত সৌদি আরবের আরাফার ময়দানে
হজের প্রথমদিন আরাফাত ময়দানে লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। এ বছর হজের খুতবার অনুবাদ কার্যক্রমে বাংলার সাথে ৫০টি ভাষায় প্রচার করা হয়। সম্প্রতি টানা সপ্তম বারের মতো বাংলা ভাষায় হজ খুতবার অনুবাদ সম্প্রচার করা হয়েছে। এ কার্যক্রমে অংশ গ্রহণ করেছেন ড. মুহাম্মদ খলীলুর রহমান, ড. আ ফ ম ওয়াহিদুর রহমান, মুবিনুর রহমান ফারুক ও নাজমুস সাকিব। তারা মক্কার উম্মুল কুরা ইউনিভার্সিটিতে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেছেন।
মিনার জামারাতে হাজিরা শয়তানের প্রতি সাতটি পাথর নিক্ষেপ করবেন। এ দিন পাথরের স্তম্ভে পাথর নিক্ষেপ করার কার্যক্রম শয়তানের প্রলোভন প্রত্যাখ্যানের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। এ বছর বুধবার (২৭ মে) হাজিরা আবারও মিনায় ফিরে তিনটি পাথরের স্তম্ভে পাথর নিক্ষেপ করবেন।
হাজিরা মূল তাওয়াফ করার জন্য মক্কায় ফিরবেন। কাবা শরিফ প্রদক্ষিণ করেন এবং সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের মধ্যে সাতবার হেঁটে সাঈ করবেন। তাওয়াফ ও সাঈ এ দুটি মুখ্য অনুষ্ঠান। হজ পালনের নিয়ত করার পর হাজিরা ইহরাম পরিধান করেন। পুরুষেরা দুটি সাদা পোশাক ও নারীরা শালীন পোশাক পরেন। ইহরাম নিয়ম প্রতীক হিসেবে কাজ করে সমতা, নম্রতা ও ঐক্যের প্রতিশ্রুতি প্রদান করে।
হজের শেষ আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে মিক্কায় ফিরে কাবা শরিফে বিদায়ী তাওয়াফ করবেন হাজিরা। এ কার্যক্রম পশু কোরবানি করার পর সমাপ্ত হয়। তিন দিন (১০, ১১ ও ১২ জিলহজ) পশু কোরবানি করতে পারেন মুসলমানরা। কো
