কৃষি উন্নয়নের স্থায়ী পরিকল্পনা
এক ইঞ চ জম ও খ ল – বর্তমান সরকার দ্বারা প্রকাশিত নীতিমালা অনুসারে এক ইঞ্চি জমি খালি রাখা হবে না। কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ তাঁর বিবৃতিতে এই মূল লক্ষ্য নিশ্চিত করে দেখা হবে বলে জানান। প্রতিবেশী দেশগুলো ও বিশ্ব বাজারে খাদ্য স্থিতিশিলতা পুনঃনির্মাণ করতে গৃহীত উদ্যোগগুলির সমন্বয়ে এই নীতি গৃহীত হয়েছে। বিশেষ করে, জমি বিতরণ ব্যবস্থার মাধ্যমে কৃষিজমি চাষের পরিমাণ বৃদ্ধি করা হবে, যাতে প্রতিদিন খাদ্য প্রয়োজন পূরণ করা সম্ভব হয়।
সরকারি লক্ষ্য এবং সার্বিক পরিবেশ
সরকারের প্রধান লক্ষ্য হল এই জমি চাষ করা সম্ভব করে দেখা, যেটি বাংলাদেশের স্থায়ী খাদ্য বিপর্যয় দূর করতে সাহায্য করবে। কৃষিজমির গুরুত্ব স্বীকৃত হয়েছে কারণ দেশের জনসংখ্যার প্রায় ৪০% লোক কৃষি কাজে নিয়োগ পেয়েছে। জমি কাটার বিষয়টি সম্পূর্ণ নির্ভরশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে কৃষকদের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি উন্নয়নে সহায়তা করবে। এই নীতি অনুসারে জমি বিতরণ সংক্রান্ত প্রক্রিয়া একটি অত্যন্ত সঠিক ও প্রতিযোগিতামূলক হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। কৃষিমন্ত্রী বলেন, “আমরা খাদ্য নিরাপত্তা পূরণ করতে গৃহীত প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এক ইঞ্চি জমি খালি রাখা হবে না। কৃষি খাদ্য উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে জমি বিতরণ সংক্রান্ত নীতি অনুসারে প্রতিটি এক ইঞ্চি জমি সক্ষম করা হবে সম্পূর্ণ প্রয়োজনীয় হিসেবে।”
জমি বিতরণ ব্যবস্থার পুনর্গঠন
প্রতিটি এক ইঞ্চি জমি বিতরণের জন্য সরকার নূতন করে একটি পরিকল্পনা প্রবর্তন করেছেন। এই নীতির প্রকাশে আরও কয়েকটি পরিবেশ বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। কৃষি ও মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি করতে এই নীতি কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই মূল্যবৃদ্ধি কার্যক্রমে জমি বিতরণ সংক্রান্ত সম্পূর্ণ পরিকল্পনা সরাসরি কৃষকদের পুষ্টিচাহিদা পূরণ করবে। স্থানীয় খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে এবং আন্তর্জাতিক মার্কেট থেকে জমি কাটার পরিমাণ কমিয়ে আনা হবে।
এই বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী তাঁর প্রস্তাবে জানিয়েছেন যে সমস্ত এক ইঞ্চি জমি কাটার পরিমাণ একটি স্থায়ী হিসেবে নির্ধারিত হবে। সেই সাথে জমি বিতরণের প্রক্রিয়া গুরুতর সমালোচনা করা হয়েছে। বর্তমান জমি বিতরণ সংক্রান্ত ব্যবস্থায় কৃষকদের সঠিক ভূমি মালিকানা না থাকার কারণে প্রতি এক ইঞ্চি জমি চাষের সময় সমস্যা দেখা দেয়। সরকার এই সমস্যা দূর করতে নূতন করে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন।
প্রতিযোগিতা ও প্রয়োজনীয় সংস্থাগুলি
প্রতিটি এক ইঞ্চি জমি কাটার জন্য সরকার নূতন করে একটি সংস্থা গঠন করেছে। এই সংস্থার কাজ হবে জমি বিতরণ সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সহজ করা। এক ইঞ্চি জমি বিতরণের মাধ্যমে কৃষকদের সমস্ত জমি চাষের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলি পূরণ করা হবে। আরও কয়েকটি ক্ষেত্রে এই পরিকল্পনা প্রয়োগ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই কার্যক্রম সম্পন্ন হলে খাদ্য উৎপাদন এবং স্থায়ী খাদ্য সংকট দূর করা সম্ভব হবে।
জমি বিতরণ প্রক্রিয
