পাবনার খামারিরা কোরবানির সামগ্রিক পশু প্রস্তুত করছেন দ্বিগুণ পরিমাণে
প বন য় চ হ দ র – পাবনায় চাহিদার দ্বিগুণ পশু প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং লাভের আশা খামারিদের কাছে উপস্থিত হয়েছে। পাবনা প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম ভাঙ্গুড়া উপজেলার চৌবাড়িয়া হারোপাড়া গ্রামে জনতা ডেইরি খামারে গরু বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে কোরবানির সময় খামারিরা চাহিদার দ্বিগুণ পরিমাণে গরু মোটাতাজা করছেন। এ বছর জেলায় কোরবানির চাহিদার দ্বিগুণ পশু প্রস্তুত হয়েছে বলে প্রাণীসম্পদ দপ্তর উল্লেখ করেছে। খামারিরা পশু লালন করে কোরবানির দিনে ভালো দাম পাওয়ার আশা জানাচ্ছেন। গত এক বছর ধরে তারা দেশী খাবার ও প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজা করছেন যাতে চাহিদার দ্বিগুণ পশু প্রস্তুত করা সম্ভব হয়।
পশু বিক্রির ব্যবস্থা সুষ্ঠু পরিচালিত হচ্ছে
প্রাণীসম্পদ দপ্তর বিশেষ মূল্য দিয়ে খামারিরা পশু মোটাতাজা করছেন যাতে চাহিদার দ্বিগুণ পশু প্রস্তুত হয়ে তোলে। কোরবানির পশু প্রস্তুত হয়েছে ৬ লাখ ৫৩ হাজার ৫৮৮টি যা প্রাকৃতিক উপায়ে গরু মোটাতাজা করে তৈরি হয়েছে। চাহিদার পরিমাণ হলো ৩ লাখ ৩৬ হাজার ৫৭২টি এবং উদ্বৃত্ত পশু হলো ৩ লাখ ১৭ হাজার ১৬টি। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ বলেছেন, কোরবানির ঈদ সামনে রেখে খামারিরা সাবধানে গরু মোটাতাজা করছেন।
চাটমোহর উপজেলার পার্শ্বডাঙ্গা গ্রামের খামারি মোফাজ্জল হোসেন বলেন, “চাহিদার দ্বিগুণ পশু প্রস্তুত করা হচ্ছে কোরবানির সময় খামারিরা যেন উন্নত দাম পেতে পারেন। কিছু বিক্রি হয়েছে, ক্রেতারা মূল্য প্রায় সাধ্যের মধ্যে বিবেচনা করছেন। আমরা চাহিদার দ্বিগুণ পশু প্রস্তুত করছি আশা করি সেটি পরিপূর্ণ ভাবে বিক্রি হবে।”
খামারিরা পশু লালনে সতর্কতা বজায় রেখেছেন
জেলার প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা জহুরুল ইসলাম বলেন, “প্রতিটি উপজেলায় ভেটেরিনারী টিম খামারি সম্পর্কে পরামর্শ দিচ্ছে। কেউ ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার করে গরু মোটাতাজা করতে না পারেন। এ বছর খামারিরা পশু লালনে সতর্কতা বজায় রেখে গরু মোটাতাজা করছেন যাতে চাহিদার দ্বিগুণ পশু প্রস্তুত করা সম্ভব হয়। কোরবানির জন্য পশু প্রস্তুত করা হচ্ছে বেশি সংখ্যক এবং খামারিরা সম্ভবত ভালো দাম পাবেন আশা করি।”
চাহিদা অতিক্রম করছে কোরবানির জন্য
খামারে গরু পরিচর্যা করে খামারিরা যত্নে সময় কাটছেন যাতে চাহিদার দ্বিগুণ পশু প্রস্তুত করা সম্ভব হয়। কোরবানির ঈদ সামনে রেখে খামারিরা পশু লালন করছেন যাতে চাহিদার দ্বিগুণ পশু প্রস্তুত হয়ে তোলে। আটঘরিয়া উপজেলার একদন্ত গ্রামের খামারি শহিদুল ইসলাম বলেন, “আমরা মূলত কোরবানির ঈদ সামনে রেখে গরু মোটাতাজা করি। মাঝারি গরু ক্রেতাদের জন্য বেশি চাহিদা থাকে। আমরা সেই চাহিদা মাথায় রেখে পশু লালন করছি। এবারও �
